শুক্রবার, আগস্ট 17, 2018
Home > অবৈধ অনুপ্রবেশকারী > ভারতে এবং অসম রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা

ভারতে এবং অসম রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা

আসলে, তাদের জন্য উচ্চ মানদণ্ড থাকা উচিত।তারা যে কোন বিবৃতিইতৈরি করে, তা তারা প্রত্যাহার করতে পারে না।  আপনি একটি বিবৃতি তৈরি করেন, আপনি ভেবেচিন্তে বিবৃতিটি তৈরি করেন এবং তারপর বিবৃতিটি দেন।অথচ এরা কি করে, এইযে আমরাবিদেশী আইন নিয়ে আলোচনা করলাম, আমরা আইএমডিটি আইন নিয়ে আলোচনা করলাম। এখন আপনার হাতেএছাড়াও নাগরিকত্ব আইন রয়েছে। এই নাগরিকত্ব আইনই আপনাকেনাগরিকত্ব প্রদান করে। এটা অন্য কোনো আইন করতে পারে না। তাই তারানাগরিকত্ব আইনের একটি ধারা বের করে, নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬-এ, যা1985 সালের আসাম অ্যাকর্ডের পরে সন্নিবেশিত করে দেওয়া হয়েছিল, এই ব’লে যে বাচ্চারা যখন এত চ্যাঁচাচ্ছে, কিছু তো একটা দিয়ে দিই ভাই, তাই তারা ঐ ধারাটি নিয়ে এসেছিল।

কেন সেই ব্যবস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল? আমাকে এই ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করতে দিন। সুতরাং আপনাকেতাকাতে হবেতিনটি সময়সীমার দিকে–১৯৪৭-১৯৬৬, ১৯৬৬-৭১, ৭১-থেকে আজকের তারিখ পর্যন্ত, ঠিক আছে? এখন যিনিসাধারণভাবে ১৯৬৬ সালের আগে অব্দি আসামের বাসিন্দা ছিলেন তাঁকেভারতের নাগরিক হিসেবে ধরা হবে এবং ফলতঃ আসামের নাগরিক হিসেবেও গণ্য করা হবে, এবং সেইজন্য তাঁকেএকজন অবৈধ অভিবাসী হিসাবে গণ্য করা যাবে না, ৬৬ থেকে ৭১ সাল অব্দি সময়কালের মধ্যেলাগু করা হবেনাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারাটি, ১৯৭১ সালের পরবর্তী সময়টি পড়বে আইএমডিটি আইনেরআওতায়, এইভাবে বিষয়টিকে ভাগ করা হয়েছিল। এখন আইএমডিটি অ্যাক্ট তো হয়ে গেছে, তার অর্থ হচ্ছে ১৯৭১ সালের পরে জনগণের নির্বাসনবিদেশী আইনের আওতায় পড়ার কথা, তাই না? অতএব, ঠিক ছিল যেবিদেশী আইনের বলে এখনআপনি প্রত্যেককে যাচাই ক’রে দেখবার ক্ষমতা দেয়। নাগরিকত্ব আইন১৯৬৬ থেকে ৭১-এর মধ্যে আসা মানুষজনের রক্ষা করছে। এটি তৈরি করবার জন্য বিশেষ বিধান করা হয়েছিল।

সুতরাং, এই বিশেষ ব্যবস্থাটির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ আবার দায়ের করা হয়, বোধ করি ২০০৯ সালের কোনো এক সময়ে, আমার মনে হয় ২009 সালে প্রথম আবেদনটি দায়ের করা হয়, দ্বিতীয়টি২০১২ সালে লিখিত আবেদন হিসেবে যায়এবং দ্বিতীয় আবেদনটি করেছিলেন অসমেরসম্মিলিত মহাসংঘ। এই বিশেষ আবেদনটির আবেদনকারী এঁরাই ছিলেন।১৭ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে এই বিষয়ে কোর্টের রায় বেরোয়, কেন্দ্রে ক্ষমতা পরিবর্তিত হওয়ার পর। এখন লোকের এরকম একটি আশা ছিল যে একটি পরিবর্তনআসবার ফলে, এটি বিবেচনায়পরিবর্তন আনবে এবং গুরুতর বিষয়গুলির পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ক্ষমতার অবস্থানেও পরিবর্তনদেখা দেবে। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে যে সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারানাগরিকত্ব আইনের ৬-এ ধারাটিকে রক্ষা করবার চেষ্টা করে, যতক্ষণ না সুপ্রিম কোর্ট সেটিকে আঘাত ছুঁড়ে না ফেলে দিচ্ছে, বরং বলা ভালো যে সেটিকে ছুঁড়ে ফেলে না দিয়েমূলত বলেন যেআমরা এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের দিকে নজর দেবো – এটি বৈধঅথবা বৈধ নয় কিনা, তবে আমরা নিশ্চিতভাবেই এই দৃষ্টিভঙ্গিটি বজায় রাখছি যে, যখন থেকে এই সমস্যাটি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এবং ১৯৬০ সালে জাতীয় স্তরে প্রচারের আলোয় এসেছে,তখন থেকেই যাদের এদেশ থেকে বহিষ্কৃত করা হয়েছে তাদের সংখ্যা অত্যন্ত কমে গেছে। এর সংখ্যা শুধুমাত্র কয়েক লাখ, এবং এখন আমাদের হাতে যে পরিসংখ্যান রয়েছে তার দিকে তাকান। যখন বিচারক বা বরংযখন এস কে সিনহা ১৯৯৮-৯৯ সালে কেন্দ্রে তাঁর রিপোর্ট জমা দেন, সে সময়আসামে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা, আমার মতে প্রায় ছিল১.৪ মিলিয়ন,১.৪ মিলিয়নের প্রায় কাছাকাছি। সেই সময়ইদিল্লীতে অবৈধ অভিবাসীদের এবং বাংলাদেশিদের জনসংখ্যা ছিল তিন মিলিয়ন।

এটি ১৯৯৮-৯৯ সালের ঘটনা, তারা ততদিনেদিল্লিতে পোঁছে গেছে, আজকের দিনে সরকারি পরিসংখ্যান হ’ল৩ কোটির কাছাকাছি,২-3 কোটি এবং আপনি সবসময়ই পারেনআর ৫০% যোগ করে নিতে। যদি এটি একটি সরকারী চিত্র হয়, তাহলে আপনি সবসময় এটি আরো ৫০% বাড়িয়ে নিতেই পারেন। এই হচ্ছে সেই পরিসংখ্যান যার দিকে আপনাদের দৃষ্টি দেওয়া দরকার।এই রায়গুলির একটির মধ্যে স্পষ্ট রেকর্ডাল রয়েছে। তিনটি রায়ের মধ্যে একটিতে বলা হয়েছে যে,যেএই টানাপোড়েনের কারণগুলির মধ্যে একটি ধাক্কা রয়েছে, তবে বাংলাদেশের কার্যাবলীও আছে, সেখান থেকেএক ধাক্কা কাজ করছে এবং ভারতের দিক থেকে থেকে একটা টান কাজ করছে। একনির্দিষ্ট বিষয় যা রায়তে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা হ’ল এই যে তাদেরভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং রাজনৈতিক নেতারা এদের তোষামোদ করেন, সেই বিষয়টি এই রিপোর্টে বিশেষভাবেউল্লিখিত।

Leave a Reply

%d bloggers like this: